আর এই আশায় সে নিজেকে উজার করে সকলের জন্য খাবার বানায়,ঘর সাজায়,উৎসব পাবনে নিজের পরিবার ছেড়ে তাদের সাথে সময় কাটায়,একটা সময় তাদেরকে বংশধর দিতে নিজের জীবন বাজি রাখে।
নিজের নিজেস্ব পরিবার পরিবেশ ছেড়ে মেয়েটা একটা নতুন পরিবেশ,নতুন পরিবারে আসে খাপ খাইয়ে নিতে চেষ্টা করে।
কিন্তু ছেলের পরিবার মেয়েটার এই চেষ্টাকে মূল্য দিতে জানেনা।বেশিরভাগ পরিবার শুরু থেকেই বাড়ির বউটাকে ডমিনেট করতে শুরু করে।
কাজে কথায় চলা ফেরায় উঠতে বসতে ভুল ধরতে শুরু করে।কিছু হলেই মেয়েটার বাড়ির লোক তুলে কথা শোনায়।অসম্মান করে।
একদিন দুদিন তিনদিন।মেয়েটা ভাবে হয়ত তারই ভুল,কিন্তু ধীরে ধীরে মেয়েটাও বুঝে যায় আসলে তার ভুল থাকুক বা না থাকুক তাকে দাবিয়ে রাখার এটা একটা কৌশল।
একটা সময় এই কৌশল মেয়েটাও শিখে যায়।সে তার সকল চেষ্টা শেষ করে দেয়।
শুরু করে প্রতিদ্বন্দ্বীতা।নীরবে আর কতই সহ্য করবে।শুরু করে প্রতি উত্তর।
মেয়েটাও একসময় শশুরবাড়িরতে প্রতিবাদী কণ্ঠে কথা বলা শুরু করে।
আর যেদিন সে মেয়েটা তার সরল মন ছেড়ে কঠিন হয়ে যায়,সেই দিন ওই মানুষ গুলোই তাকে বেয়াদব এর আখ্যা দেয়।আর কিছু ক্ষেত্রে মাঝে ভুক্তভোগী হয় ওই পরিবারে নিজের ছেলে।সে না পারে পরিবারকে ভুল বলতে,না পারে নিজের স্ত্রীর ভুল ধরতে।ফলাফল ছেলেটার বিবাহিত জীবন নষ্ট হয়।
যাদের কঠোর আচরনে মেয়েটা এমন হয়ে ঊঠলো তারাই তখন বলে মেয়েটা আমাদের সাথে থাকতে চায়ান।আমাদের সাথে খারাপ আচরন করে।
অথচ চিত্রটা অন্যরকম হতে পারতো।
মেয়েটাকে একটু আদুরে ভাবে সবাই মিলে বুঝিয়ে রাখলে সংসারের পরিবেশ টা কতই না সুন্দর হতো।
একটা মেয়ে তার সব ছেড়ে আপনাদের কাছে এসেছে।তার জন্য সবাই মিলে একটু স্যাক্রিফাইস করে তাকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করলে সেও আপনাদের মনের মতো হয়ে ঊঠবে।
কথাগুলো শুধু ভুক্তভোগীদের জন্য।
No comments:
Post a Comment